উইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলো টাইগাররা।

ওয়ানডে ফরম্যাট এলে যেন বদলে যায় টাইগাররা। অতীতের সব গ্লানি মুছে যেন ভিন্নরুপে দেখা যায় টাইগারদের।উইন্ডিজকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচ ওডিআই সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেলো টাইগাররা।

উইন্ডিজকে প্রথম ওডিআইতে ১৪৯ এর বেশি করতে দেয় নি তারা।শরীফুল ইসলামের ৪ উইকেট, মেহেদী হাসান মিরাজের ৩; মুস্তাফিজের ১ উইকেট, সাথে অভিষেক হওয়া নাসুম আহমেদের ৮ ওভারে ৩ মেইডেনে মোটে ১৬ রান। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অল্পতেই গুটিয়ে যায় উইন্ডিজের ইনিংস। বৃষ্টিতে ম্যাচের দৈঘ্য কমে আসে ৪১ ওভারে। অথচ এই বোলার, এই ব্যাটসম্যানদের প্রায় সবাই খেলেছেন অন্য দুই ফরম্যাটে; জ্বলে ওঠা তো দূরের কথা, সামর্থ্যের জানানটাও দিতে পারেননি বেশীরভাগ খেলোয়াড়।

কিন্তু ওয়ানডে এতেই বদলে গেলেন সবাই, জ্বলে উঠলেন একসাথে! স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শামারহ ব্রুকস করেছেন সর্বোচ্চ ৩৩ রান;অ্যান্ডারসন ফিলিপ ২১*, জেয়ডেন সিলস ১৬*, ঘরের ছেলে রোমারিও শেফার্ড ১৬, অধিনায়ক নিকোলাস পুরানের ব্যাট থেকে এসেছে ১৮ রান। দুই অঙ্কের রান পার করতে পেরেছেন আর মাত্র একজন, তিনি হলেন কাইল মায়ার্স (১০); বাকিদের কেউই ছুঁয়ে দেখতে পারেননি দুই অঙ্ক। শেষ উইকেটে সিলস-ফিলিপ মিলে যোগ করেছেন ৩৯ রান; যা কি না প্রথম ইনিংসেই সর্বোচ্চ রানের জুটি! রানা তাড়ায় শুরুতে হোঁচট খায় টাইগাররা।

দলীয় ৯ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ইনফর্ম লিটন দাস। স্বাচ্ছন্দেই ব্যাটিং করেছিলেন দলপতি তামিম ইকবাল। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ২৫ বলে ৩৩ রান করে রান আউটে কাঁটা পড়েন তিনি। দীর্ঘদিন পর একাদশে সুযোগ পাওয়া নাজমুল শান্ত ভালো শুরু করেও ইনিংসটাকে বড় করতে পারেন নি। ৩৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি যা ওডিআইতে শান্তর সব্বোচ স্কোর। গত কয়েক সিরিজে ওডিআইতে সাতে নামা আফিফ হোসেন এইদিন ব্যাট করতে নেমেছিলেন পাঁচে। কিন্তু খুব বেশি সুবিধা করতে পারেন নি তিনি।

৯ রান করে নিকোলাস পুরানের বলে আউট হন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। আফিফের বিদায়ের পর আর কোন বিপদ ঘটতে দেয় নি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও নুরুল হাসান সোহান। অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটিতে দলকে জয় উপহার দিয়েই মাঠ ছাড়েন তারা। রিয়াদ ৪১ ও সোহান ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন। টাইগারদের এই জয়ে বাংলার সমথকদের ঈদের আনন্দ বেড়ে গেছে আরও বহুগুণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *