আগামী ৪ বছরের টেস্ট চ্যাস্পিয়নশিপে ৩৪ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

এইবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন হচ্ছে। কিন্তু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে টাইগারদার অবস্হান তলানীতে। গত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৯ দলের মধ্যে নবম হয়েছিল টাইগাররা।

এইবারও অবস্হান খুব ভালো নয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্ট জিতলেও অবস্হান তলানীতেই। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আগামী ৪ বছরের ভবিষ্যৎ সফরসূচি (এফটিপি) প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আগামী দুই চক্র অর্থাৎ ২০২৩-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৭ পর্যন্ত এফটিপি নির্ধারণ করবে আইসিসি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও ‘ক্রিকইনফোর’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৯ দলের ভবিষ্যৎ সফরসূচি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এখন শুধুমাত্র আইসিসির পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় এফটিপি পাশ হওয়ার অপেক্ষা।

ক্রিকইনফোর তথ্যমতে, দুই চক্রের এফটিপিতে মোট ৩৪টি টেস্ট খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। ২০২৩-২০২৫ চক্রে ৬টি সিরিজ এবং ২০২৫-২০২৭ চক্রে থাকছে আরও ৬টি টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। অবশ্য এই চক্রের বাইরে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আরও সিরিজ আয়োজনের সুযোগ থাকবে টাইগারদের সামনে। এই চার বছরে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি করে এবং পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি করে সিরিজ পাবে বাংলাদেশ।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৩-২০২৫ চক্রে নিজেদের ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ । এছাড়া বিদেশের মাটিতে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এরপর ২০২৫-২০২৭ চক্রে অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দেশের বাইরে খেলতে যাবে বাংলাদেশ। ফলে ২০০৩ সালের পর আবারো অজিদের মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেতে যাচ্ছে তারা। একই চক্রে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে খেলবে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে।

আইসিসির পরবর্তী দুই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চক্রে সবচেয়ে বেশি ৪২টি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। বাকি ৮টি দলের মধ্যে ৩০টির বেশি ম্যাচ খেলবে শুধুমাত্র ৪টি দেশ-অস্ট্রেলিয়া (৪১), ভারত (৩৮), বাংলাদেশ (৩৪) ও নিউজিল্যান্ড (৩২)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *