জুয়ারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাকিবের চুক্তি, তদন্তে বিসিবি

বির্তক আর সাকিব আল হাসান যেন একই সূত্রে গাঁথা। একের পর এক বির্তকের জম্ন দিয়ে আলোচনার টেবিলে শীর্ষে থাকেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।এবার বেটিং কোম্পানীর সাথে চুক্তি করে বির্তকের জম্ন দিয়েছেন তিনি।

যদিও চুক্তির বিষয়ে কোন কিছুই জানেনা বাংলাদেশ ত্রিকেট বোর্ড। এক্ষেত্রে বিসিবির আরও দূরদর্শী হওয়া উচিত ছিল। কেন্দ্রিয় চুক্তিতে থাকা একজন ত্রিকেটার অন্য কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন আর সেটা জানে না বোর্ডের কেউই।  জুয়াড়ি শব্দটা সাকিবের কাছে খুবই পরিচিত বটে সাথে লজ্জা আর হতাশারও। জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন রাখায় ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের পর সবধরনের ত্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি সাথে আরও এক বছর ছিলেন আকসুর পযবেক্ষণে। নিষেধাঙ্গা কাটিয়ে মাঠ ফিরলেও জুয়াড়ি শব্দটা যেন পিছু ছাড়ছে না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের।

বেটিং–সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে বিসিবির অনুমোদন নেননি সাকিব আল হাসান। শেষ পর্যন্ত এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাকিবের চুক্তির ব্যাপারটি সত্যি হয়ে থাকলে, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে বিসিবি। আজ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। সম্প্রতি ‘বেটউইনার নিউজ’ নামে একটি কোম্পানির সঙ্গে পণ্যদূত হিসেবে চুক্তি করেছেন সাকিব। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্টও করা হয়েছে।

সাকিবের সঙ্গে চুক্তির কথা নিশ্চিত করেছে ‘বেটউইনার নিউজ’ নামে ওই ওয়েবসাইটটিও। এমনিতে বেটউইনার নিউজ খেলাধুলার সংবাদবিষয়ক ওয়েবসাইট হলেও মূলত বেটউইনার নামে একটি বেটিং কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান এটি। বাংলাদেশ থেকে বেটউইনারের ওয়েবসাইটেও প্রবেশ করার সুযোগ নেই; কারণ, সেটি ব্লক করা। আজ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভার পর সংবাদসম্মেলনে সাকিবের চুক্তির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে নাজমুল বলেন, এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে সভায়। সাধারণত যেকোনো বাণিজ্যিক চুক্তির ক্ষেত্রে বিসিবির অনুমোদন নিতে হয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের। তবে এ ক্ষেত্রে সাকিব সেটি নেননি বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘আমাদের অনুমতি নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

কারণ, আমরা অনুমতি দেবই না। যদি বেটিং (সংশ্লিষ্ট) হয়ে থাকে, অনুমতি তো দেবই না। এটার মানে হচ্ছে, আমাদের কাছে অনুমতি চায়নি।’ তিনি জানান, এরকম কিছু হলে সাকিবকে নোটিশ পাঠানো হবে। তবে তার আগে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চায় বোর্ড। ‘এটা কোনোভাবেই বোর্ড অনুমোদন দেবে না। আবার না-ও তো হতে পারে। এমন কথাও বোর্ডে উঠেছে’—বলেছেন নাজমুল হাসান। সাকিবের চুক্তির ব্যাপারটি নিশ্চিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নাজমুল, ‘সাকিবের সঙ্গে কথা বলে দেখি। বাংলাদেশের আইনও এটির অনুমোদন দেয় না। অবশ্যই সিরিয়াস একটি ইস্যু। এটি সত্যি হয়ে থাকলে যা যা করার দরকার, করব আমরা।’ বর্তমানে সাকিব আল হাসান দেশে নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.